Subscribe:

HI FRIENDS


Showing posts with label BELIEVE OR NOT. Show all posts
Showing posts with label BELIEVE OR NOT. Show all posts

Saturday

Wanna be the Super Model

Cursor Creative House
HEY!
Girls & Boys!!
you can be the Sparking Star of
Tomorrow.

just check out this poster
and contact with Model Cordinator:
Shourov :01675125214


Read More ... »

Thursday

সৈন্যদের দক্ষতা বাড়াতে অনলাইন গেম



অনলাইন গেম
অনলাইন গেম
চীনে সৈন্যদের যুদ্ধ-দক্ষতা ও প্রযুক্তি-সচেতনতা বাড়াতে তৈরি করা হয়েছে প্রথম অনলাইন সামরিক গেম ‘দ্য গ্লোরিয়াস মিশন’। গেমটি তৈরি করেছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি।
সেনাসদস্যরা গেমটি একা বা দলগতভাবে খেলতে পারবেন। এতে পিপলস লিবারেশন আর্মিতে ব্যবহূত অস্ত্র ও যুদ্ধের সম্ভাব্য বাস্তব দৃশ্য যুক্ত করা হয়েছে। গেমটি তৈরি করতে ৩২ মাস সময় লেগেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিপলস লিবারেশন আর্মির একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি মনে করি, এই গেমটি চীনের সেনা-ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে। তারা গেমটি ডাউনলোড করে খেলতে পারবে। গেমটির সর্বশেষ সংস্করণ ২০ জুন প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের সর্ববৃহত্ ইন্টারনেট বাজারের একটি হচ্ছে চীন। সরকারি হিসাবে দেশটিতে ৩০ কোটির বেশি মানুষ আছেন, যাঁরা অনলাইনে গেম খেলেন।—রয়টার্স অবলম্বনে উজ্জ্বল মণ্ডল
Read More ... »

জন্মের আগেই ফেসবুকে!



সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক ফেসবুকে এবার ঘটেছে ভিন্ন এক ঘটনা। কন্যাশিশু মারিয়া গ্রিনের এখনো জন্মই হয়নি। জন্মের আগেই তাঁর নামে ফেসবুকে একটি পেজ খোলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ম্যাট ও এলি নামের এক দম্পতি এই অদ্ভুত কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার সংবাদে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ম্যাট ও এলি জানেন তাঁদের একটি কন্যাশিশু হবে এবং তাঁর জন্ম হতে পারে ৯ জুন। জন্মের আগেই ১ জুন পর্যন্ত ওই শিশুটির ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা ২৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে। যদিও তার বন্ধু হওয়ার অনুরোধ এসেছে ৩৫০টি। কিন্তু অপরিচিত কাউকে তার পিতামাতা বন্ধু করছেন না।
এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে ম্যাট বলেন, শিশুটি পৃথিবীতে আসছে—এ সংবাদটি আমাদের সব বন্ধুকে কীভাবে জানাব, সে ব্যাপারে আমারা নিশ্চিত ছিলাম না। এর ভালো উপায় হিসেবে ফেসবুককে আমরা বেছে নিই। ফেসবুকের মাধ্যমে মা ও শিশু সম্পর্কে প্রতিনিয়ত আমরা বন্ধুদের অবহিত করছি।
ম্যাট আরও জানান, আমরা নিজেদের ছোটবেলার কথা চিন্তা করলে দেখব অনেক কিছুই ভুলে গেছি। তাই আমাদের সন্তানের সব তথ্যই এখানে রাখছি।
Read More ... »

Tuesday

সিগারেট খাচ্ছেন ??? তাহলে জেনে নিন কী খাচ্ছেন !

আপনি সিগারেটে আসক্ত ? সিগারেট ছাড়া থাকতে পারেন না ?? আপনি কী জানেন যে আপনি কী খাচ্ছেন ? হয়তো বা বলবেন আমার সিগারেট খাওয়া নিয়ে তোমার অসুবিধা কী ? তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি যে সিগারেটখোর মানুষদের হার্ট চমকে যাবে এ পোষ্টটি পড়লে। চলুন প্রথমে একটি ছবি দেখে নেই...

 

এবার দেখি সিগারেটে কী কী আছেঃ
১.ক্যাডমিয়াম
২.স্টেরিক এসিড
৩.হেক্সামিন
৪.টলুইন
৫.নিকোটিন
৬.অ্যামোনিয়া
৭.রঙ
৮.মিথানল
৯.কার্বন মনোক্সাইড
১০.আর্সেনিক
১১.মিথেন
১২.এসিটিক এসিড
১৩.বুটেন

এই তেরোটি উপাদান বিশিষ্ট দ্রব্য হলো সিগারেট। এবার চলুন দেখে আসি এই তেরোটি দ্রব্য কী কাজে ব্যাবহৃত হয়।

১.ক্যাডমিয়ামঃ ক্যাডমিয়াম হলো ব্যাটারীতে ব্যাবহৃত উপাদান। এটি একটি ধাতু এবং মানব শরীরের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর।

২.স্টেরিক এসিডঃ মোমবাতি দেখেছেন তো ?? মোমবাতির রাসায়নিক উপাদান যখন বাতাসের অক্সিজেন এর সাথে বিক্রিয়া করে দাহন কার্য সম্পন্ন করে, অর্থাৎ সলতে তে আগুন দেওয়ার পর মোমবাতি যখন জ্বলে তখন উচ্ছিষ্ট হিসেবে এই এসিড তৈরি হয়। এই এসিড এ কার্বনের মাত্রা প্রচুর।

৩.হেক্সামিনঃ এটি একটি দাহ্য পদার্থ যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে।

৪.টলুইনঃ টলুইন একটি হাইড্রোকার্বন অর্থাৎ জ্বালানি গ্যাস। তবে টলুইনের ব্যাবহার ব্যাপক এটি রঙ এ, ছাপার কালিতে, আঠা তৈরিতে, সিমেন্ট রঙ করতে, পারমানবিক চুল্লিতে ব্যাবহার হয়। এটি হয়তোবা আপনার ফুসফুসের ভিতরে একটি রঙিন আস্তরন বসিইয়ে দিবে।

৫.নিকোটিনঃ সিগারেটের ক্ষতিকারক দ্রব্যগুলোর মধ্য সবচেয়ে পরিচিত হচ্ছে এই নিকোটিন। কখনো পোকা মারার স্প্রে দেখেছেন ??? সেই স্প্রে তৈরিতে ব্যাবহৃত হয় এই নিকোটিন। মানব দেহকে একই ভাবে নিস্ক্রিয় করতে এই বিষাক্ত পদার্থ সমান ভাবে কার্যকর।

৬.অ্যামোনিয়াঃ ডাষ্টবিনের পাশে হেটে গেলে যেই দুর্গন্ধ হয় তা এই অ্যামোনিয়ার জন্য। হারপিক বা এই জাতীয় টয়লেট ক্লিনার তৈরির মূল উপাদান গুলোর একটি হচ্ছে এই অ্যামোনিয়া।

৭.রঙঃ রঙ সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই। সিগারেটের ফিল্টারে যেই রঙ থাকে তা মুখে দেওয়ার জন্য অনুপোযোগী কিন্তু সিগারেট খেতে হলে তা মুখে নিতেই হয়।

৮.মিথানলঃ রকেট চালানোর জন্য যেই জ্বালানি ব্যাবহৃত হয় তা হলো এই মিথানল।

৯.কার্বন মনোক্সাইডঃ কার্বন মনোক্সাইড নামটা অচেনা থাকার কথা নয়। আমি এটাকে সরাসরি বিষ বলেই আখ্যায়িত করব। কারন, কার্বন মনোক্সাইডের বিক্রিয়া নিয়ে আপনারা পড়েই থাকবেন।

১০.আর্সেনিকঃ চিনেন নিশ্চয়ই !

১১.মিথেনঃ বাড়িতে গ্যাসের চুলা দেখেছেন তো ?? কেউ কেউ হয়তোবা ব্যাবহারো করেছেন। যেই গ্যাসটি দিয়ে আপনি রান্না করছেন সেই গ্যাসটি হচ্ছে এই মিথেন। বহুল ব্যাবহৃত এই হাইড্রোকার্বন গ্যাসটি যে মানব শরীরের জন্য কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে তা তো জানেনই।
১২.এসিটিক এসিডঃ ভিনেগার দেখেছেন তো। একবার কাঁচা ভিনেগার খেয়ে দেখুন কেমন লাগে। এই বিদঘুটে স্বাদওয়ালা জিনিসটার মূল উপাদান হচ্ছে এই এসিটিক এসিড।

১৩.বুটেনঃ সিগারেট খেলে তো লাইটার জ্বালিয়ে থাকবেন। আর এই লাইটারে ব্যাবহৃত বুটেনটা কিন্তু আপনার ফুসফুসেই ঢুকছে।



এরপর একবার ভেবে দেখুন আপনি কী আর সিগারেট খাবেন ????
Read More ... »

Monday

 স্টিভ জবসের মৃত্যুর খবরে টুইটারে রেকর্ড


অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস ছিলেন প্রযুক্তি অঙ্গনের মহারথীদের মধ্যে অন্যতম একজন। মাত্র ৫৬ বছর বয়সে বিদায় নেওয়া স্টিভ জীবদ্দশায় গড়েছেন নানা রেকর্ড। আর পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েও জানান দিচ্ছেন তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কথা। ৫ অক্টোবর তাঁর মৃত্যুর খবরের পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে শুরু হয় স্টিভ জবস বিপ্লব। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুকসহ গুগল প্লাস, ভিডিও দেখার ওয়েবসাইট ইউটিউবসহ নানা মাধ্যম ব্যবহারকারীদের শোকবার্তায় পরিপূর্ণ। ছোট বার্তার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট টুইটারে জবসের মৃত্যুর খবর নিয়ে প্রকাশিত টুইটে হয়ে গেছে বিশ্ব রেকর্ড। মাইক্রোব্লগিং এই সাইটে প্রতি সেকেন্ডের টুইট হিসাবে স্টিভই এখন বিশ্বসেরা।

স্টিভের মৃত্যুর খবর ঘোষণার পর প্রতি সেকেন্ডে ১০ হাজার টুইট বার্তা জমা পড়েছে টুইটার সার্ভারে! আর টুইট প্রকাশের এমন হারে কিছু সময় পরপরই সার্ভার সমস্যার কারণে অনেক ব্যবহারকারীই টুইটারের সাইটে প্রবেশ করতে পারেননি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০৭ সালে প্রতিদিন যেখানে মাত্র ৫০০ টুইট প্রকাশিত হতো, সেখানে এখন স্টিভ জবসের মৃত্যুর পর তা দাঁড়িয়েছে সেকেন্ডে ১০ হাজারে! প্রতি সেকেন্ডের সর্বোচ্চ টুইট বার্তার রেকর্ডে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেওয়ানসের এমটিভি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার খবর, যার প্রতি সেকেন্ডে টুইট প্রকাশিত হয়েছিল আট হাজার ৮৬৮টি। এ ছাড়া সেকেন্ডপ্রতি পাঁচ হাজার টুইট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর খবর।
Read More ... »

ADD A COMMENT

LIKE THIS FB PAGE

BYE BYE


আমি বাংলার ছেলে

আমি বাংলার ছেলে